সোমবার | ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ ইং | ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | হেমন্তকাল | বিকাল ৪:৪৯ | রেজিঃ নং-

ডিএনসিসি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড ,ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করতে হবে

1 রব ডেস্ক:    ভয়ংকর সব অগ্নিকাণ্ডে একের পর এক প্রাণহানি ও সম্পদ নষ্ট হওয়ার পরও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়নি। এবার আগুনে পুড়ে গেছে রাজধানীর গুলশানের ১ নম্বর সার্কেলের ডিএনসিসি মার্কেট। সোমবার মধ্যরাতে যে আগুনের সূত্রপাত, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তা নেভানো সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের ২২টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করে। আগুনে পুড়ে ভোরের দিকে ধসে পড়ে মার্কেটের একাংশ। দোতলা এই মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় আমদানি করা খাদ্যপণ্য, প্রসাধনী, পোশাক, প্লাস্টিক পণ্য ও গয়নার প্রায় ২৫০টির মতো দোকান রয়েছে। নিচতলার একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে আসবাবের দোকান। অর্থাৎ মার্কেটের একটি বড় অংশে দাহ্যপণ্যের দোকান থাকলেও অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।যেকোনো ভবনেই আগুন লাগতে পারে। তবে সবখানেই আগুন নেভানোর সক্ষমতা, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা ও আগুন নেভানোর যন্ত্র থাকতে হবে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সেখানে দ্রুত গেলেও তাদের গাড়ির নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর বাইরে থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগে যায়। গত বছরই বড় কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে দেশে। গাজীপুরের টাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব অগ্নিকাণ্ডের অন্যতম কারণ অসাবধানতা। ডিএনসিসি মার্কেটে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকেই আগুন লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিদ্যুতের সংযোগ পুরনো হয়ে গেলে তাতে শর্টসার্কিট হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এসব সংযোগ নিয়মিত পরীক্ষা ও সংস্কার করা প্রয়োজন। মার্কেটের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল আসবাবের দোকান। এসব দাহ্যপণ্যের সুরক্ষার কি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল? মার্কেট হলেও এখানে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার। অগ্নিকাণ্ড যাতে না ঘটে সে জন্য সব মার্কেট ও ভবনেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত। ডিসিসি মার্কেট ভবনটি ২০০৭ সাল থেকেই রাজউকের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকায় ছিল। গুলশানের মতো জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বাণিজ্যিক ব্যবহার কতটা যৌক্তিক, তা বিবেচনায় নিতে হবে। ব্যবসায়ীরা ঘটনাটিকে নাশকতা বলছেন। এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখা দরকার। অগ্নিকাণ্ডের যেকোনো ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশও আসে। সেসব সুপারিশ কতটা বাস্তবায়িত হয়? যারা ব্যবসা করত, তাদের অনেকেই সর্বস্ব হারিয়েছে। পুড়ে যাওয়া দোকানের কর্মচারীরা বেকার হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় গুলশান ডিএনসিসি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ব্যবস্থা নিতে হবে।

Comments are closed.



সম্পাদক ও প্রকাশক:

মোঃ সহিদুল ইসলাম (সহিদ)

প্রধান কার্যালয়ঃ

বার্তা বিভাগঃ এস,এ পরিবহনের পিছনে
উত্তর তেমুহনী বাসষ্ট্যান্ড, সদর, লক্ষ্মীপুর।

সম্পাদকীয়ঃ বিআরডিবি ওয়ার্কশফ ভবন
বাগবাড়ী, সদর, লক্ষ্মীপুর।

ই-মেইলঃ newsdailyrob@gmail.com, মোবাইলঃ 01712256555, 01620759129

Copyright © 2016 All rights reserved www.rnb24.com

Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com