রবিবার | ১৬ই মে, ২০২১ ইং | ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | সকাল ৯:১০ | রেজিঃ নং-

“বাহিরে ফিটপাট ভিতরে সদরঘাট”

Click By apro

লক্ষ্মীপুরের খাবার হোটেলগুলোর দূরবস্থা

রাকিব হোসেন আপ্র॥ দূর থেকে তাকালেও না বুঝে উপায় নেই যে, এটা হোটেল আলমাস কিংবা রাজমহল। ক্যাপে মদিনা কিংবা মোহাম্মদিয়া হোটেল মনে করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এছাড়া সাথে বাংলায় রঙিণ বর্ণে লেখা থাকে রেষ্টুরেন্ট। হোটেলের সাজসজ্জা কিংবা চেয়ার টেবিলের অবস্থা দেখে চিন্তাও করতে পারবেন না এখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা হয় কিংবা ভেজাল খাবার পরিবেশন করা হয়।

অথচ লক্ষ্মীপুরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে এসব হোটেলেরই আদিপত্য বিরাজ করছে। ভ্রাম্যমান আদালত বেশ কয়েকবার এসব হোটেলে অভিযান চালিয়ে জেল, জরিমানা কিংবা ভেজাল খাবার ধ্বংস করলেও সংশোধন হয়নি মালিক কিংবা ব্যবস্থাপকরা।

শ্রীকৃষ্ণ কিংবা ওয়ান মিনিট অথবা এ জাতীয় বেশ কয়েকটি হোটেলের রান্নাঘর পরিদর্শনকালে চোখে পড়ে রাঁধুনীর হাতে সিগারেট। সিগারেটের ধোঁয়া টানছেন আর রান্না করছেন। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থা তো গেলেই দেখবেন। তাছাড়া চামুচা, শিঙ্গারা, পরটা কিংবা নান রুটি তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে অতিরিক্ত সোডা অথবা আরো মারাত্মক কোনো পদার্থ।

rer

হোটেল আলমাসের ম্যানেজার রিয়াজ জানান, গ্যাস নেই তাই লাকড়ি দিয়ে রান্না হয়। এতে করে রান্নাঘর নোংরা হয়ে যায়। তবে গ্যাস থাকলে এতো সমস্যা হতো না। তিনি আরো জানান খাবারের মূল্য তালিকা না থাকলেও কম দরেই খাবার বিক্রি হচ্ছে এখানে।

ভোক্তারা জানান, লোকসান হলে কিংবা ভালো খাবার পরিবেশন না করতে পারলে হোটেল খোলার দরকার হবে কেন। ভালো পরিবেশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে তৈরী করলে আলু বর্তা আর ডালভাজি খেয়েও তৃপ্তি পাওয়া যায়। তবে কেউ কেউ বলছেন, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের অনেকেই নিষেধ করা সত্ত্বেও হোটেলে বসেই ধুমপান করে। এতে পরিবেশ দূষণ হলেও বাধা দেওয়ার সাহস পায় না হোটেল মালিক, শ্রমিক অথবা কাস্টমারদের কেউই।

ইদানিং লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজার গুলো ছেয়ে গেছে ছোট ছোট এবং খোলামেলা হোটেল রেষ্টুরেন্টে। যেখানে সস্তা মূল্যে পাওয়া যায় বেজাল খাবার। রান্না হয় খালপাড়ে আর পরিবেশন করা হয় রাস্তার পাশে কিংবা বড় কোনো মার্কেটের নিচে থাকা সোহাগ, সামিয়া, শাহীন, অথবা মদিনা হোটেল এণ্ড রেষ্টুরেন্টে। অভিজাত হোটেল এণ্ড রেষ্টুরেন্ট গুলোর মালিকদের অভিযোগ টুকিটাকি বিষয় নিয়ে তাদের জরিমানা করা হয়। অথচ ছোট ছোট হোটেল গুলোতে প্রতিনিয়তই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল খাবার তৈরি এবং বিক্রি হচ্ছে তবুও তারা কোনো ধরণে জরিমানা অথবা শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে না। চলবে...

Comments are closed.



সম্পাদক ও প্রকাশক:

মোঃ সহিদুল ইসলাম (সহিদ)

প্রধান কার্যালয়ঃ

বার্তা বিভাগঃ এস,এ পরিবহনের পিছনে
উত্তর তেমুহনী বাসষ্ট্যান্ড, সদর, লক্ষ্মীপুর।

সম্পাদকীয়ঃ বিআরডিবি ওয়ার্কশফ ভবন
বাগবাড়ী, সদর, লক্ষ্মীপুর।

ই-মেইলঃ newsdailyrob@gmail.com, মোবাইলঃ 01712256555, 01620759129

Copyright © 2016 All rights reserved www.rnb24.com

Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com