বুধবার | ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শরৎকাল | সকাল ১১:২৪ | রেজিঃ নং-

জনবল সংকটে ভোগান্তির মুখে লক্ষ্মীপুর সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকরা, ৫৬টি পদের বিপরীতে ১৭ জন দিয়ে চলছে কার্যক্রম

বিশেষ প্রতিনিধি: জনবল সংকটে প্রায়ই অচল হয়ে পড়েছে লক্ষ্মীপুরের সোনালী ব্যাংকের কার্যক্রম। এতে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছে শত শত গ্রাহকরা। ফলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের লক্ষ্মীপুর শাখার চলছে কার্যক্রম। একজনে একাধিক কাজ করায় এ অবস্থায় ভালো নেই শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আবার ক্ষমতার অপব্যাবহার, অনিয়ম ও অসদাচরনের অভিযোগ রয়েছে অনেকের। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, জেলার প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহককে সেবায় ৫৬টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত মাত্র ১৭ জন। এ অবস্থায় সাধারণ গ্রাহকের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের আর্থিক সেবাও দিতে গিয়ে শাখাটির কাজের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। যেন পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে একদিকে যেমন সেবার গতি কমছে, তেমনি ভোগান্তির অন্ত নেই গ্রাহকদের।

লক্ষ্মীপুরের পাঁচটি উপজেলায় ১১টি শাখা ও একটি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। সব শাখারই আর্থিক লেনদেন হয় সোনালী ব্যাংক লক্ষ্মীপুর শাখা থেকে। সদর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা, অবসর ভাতাসহ সব ধরনের ভাতা উত্তোলন করা হয় এ শাখায়। এছাড়া সাধারণ গ্রাহকদের ব্যক্তিগত হিসাবের লেনদেনসহ দৈনিক প্রায় গড়ে ১ হাজার ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাহক সেবা নিতে আসেন এ শাখায়।

কিন্তু পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে গ্রাহকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। অভিযোগ ক্যাশ কাউন্টারে লোকজনকে খাটানো হয় অন্য কাজে। এতে শাখাটিতে গ্রাহকের চাপ লেগেই থাকে। ফলে বাড়ছে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ । কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারো কারো অসদাচরনে প্রায় সময় দেখা যায় উত্তেজনা। ফলে করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টিও এখন উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংক লক্ষ্মীপুর শাখায় বর্তমান কর্মরতদের মধ্যে তিনজন প্রিন্সিপাল অফিসার রয়েছেন। আছেন ছয়জন সিনিয়ার অফিসার ও পাঁচজন অফিসার (ক্যাশ)। এছাড়া চতুর্থ শ্রেণীর ১০ জনের জায়গায় গাড়িচালকসহ কর্মরত রয়েছেন তিনজন কর্মচারী। গ্রাহক সেবার পরিধি ও চাহিদার তুলনায় যা খুবই নগন্য।

জানা যায়, শাখাটির ক্যাশ ইনচার্জের দায়িত্বে রয়েছেন বিপ্লব চন্দ্র দাস। যুগ্ম জিম্মাদারের দায়িত্বে রয়েছেন ফারুক হোসেন। অন্যদিকে ক্যাশ কাউন্টারে গ্রাহকদের সঙ্গে নগদ লেনদেনের জন্য আটজন অফিসার থাকার কথা। বিপরীতে রয়েছেন চারজন। অফিসার সংকটের কারণে সহকারী অফিসার (গ্রেড-২) একজন ও একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী শাখাটির ক্যাশ কাউন্টারে নগদ লেনদেনের কাজ করছেন। তবে লোকবলের সংকট থাকলেও গ্রাহক সেবায় চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকছে না বলে দাবি করেন সোনালী ব্যাংক লক্ষ্মীপুর শাখার ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শামসুল আলম।

সোনালী ব্যাংকের লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের এজিএম ভবতোষ চক্রবর্তী জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি কাজ করছেন।

Comments are closed.



সম্পাদক ও প্রকাশক:

মোঃ সহিদুল ইসলাম (সহিদ)

প্রধান কার্যালয়ঃ

বার্তা বিভাগঃ এস,এ পরিবহনের পিছনে
উত্তর তেমুহনী বাসষ্ট্যান্ড, সদর, লক্ষ্মীপুর।

সম্পাদকীয়ঃ বিআরডিবি ওয়ার্কশফ ভবন
বাগবাড়ী, সদর, লক্ষ্মীপুর।

ই-মেইলঃ newsdailyrob@gmail.com, মোবাইলঃ 01712256555, 01620759129

Copyright © 2016 All rights reserved www.rnb24.com

Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com