বুধবার | ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | শরৎকাল | সকাল ১১:২২ | রেজিঃ নং-

রায়পুরে হত্যা সন্দেহে দাফনের ২৩ দিন পর বৃদ্ধ বাদশা মিয়ার মরদেহ উত্তোলন

রায়পুর সংবাদদাতা-লক্ষ্মীপুরে হত্যা সন্দেহে দাফনের ২৩ দিন পর বৃদ্ধা বাদশা মিয়ার লাশ উত্তোলন করেছেন শ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব হোসেনের। শনিবার আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব হোসেনের উপস্থিতিতে কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। রায়পুরের চরমোহনা ইউনিয়নের উত্তর রায়পুর গ্রাম থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অভিযোগ উঠেছে, বাদশা মিয়ার দুই ছেলে গোপনে জমি লিখে নিয়েছিল। ওই দলিল বাতিল চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ছেলেরাসহ হত্যা করেছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব হোসেন বলেন, মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে লাশ ফের দাফন করা হবে।

এদিকে বাদশা মিয়া হত্যার ঘটনায় দুই ছেলে মো. হাছানুজ্জামান ও মো. নুরুজ্জামান জেলা কারাগারে রয়েছেন। গত ১৯ জুলাই সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (রায়পুর) আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে দেন। এর আগে ১৬ জুলাই উত্তর রায়পুর গ্রাম থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। এদিকে ১৫ জুলাই সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট (রায়পুর) আদালতে বৃদ্ধ বাদশা মিয়াকে হত্যার অভিযোগে অপর ছেলে মো. আলম গ্রেফতার দুইভাইসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করেন।

এ ঘটনায় আদালতের বিচারক তারেক আজিজ অভিযোগটি আমলে নিয়ে রায়পুর থানার ওসিকে এফআইআর নথিভুক্ত করার জন্য নির্দেশ দেয়। পরদিনই থানায় মামলাটি নথিভূক্ত করে এবং এজাহারভূক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত ছাড়াই মৃত্যুর পরদিন লাশ দাফন করা হয়। মামলার তদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন হাছানুজ্জামানের স্ত্রী আয়েশা বেগম, নুরুজ্জামানের স্ত্রী এলাপি খাতুন ও উত্তর রায়পুর গ্রামের মৃত ইউছুফ আলী মোল্লার ছেলে শাহ আলম।

এজাহারে বলা হয়েছে, বাদশা মিয়াকে প্রতারণা করে হাছানুজ্জামান ও নুরুজ্জামান তাদের নামে ১০৭ শতাংশ জমি লিখে নেয়। পরে হাছানুজ্জামান তার ঘরের একটি কক্ষে বাদশাকে আটকে রাখে। অপর ছেলে আলম ও ৩ মেয়ের সঙ্গে তাকে যোগাযোগ করতে দিচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে জমি লিখে নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে আলম ও তিন মেয়ে বিষয়টি তাকে (বাদশা) জানায়।

এতে বাদশা জমির দলিলটি বাতিল করার জন্য আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এতেই গত ৬ জুলাই রাতে তাকে অভিযুক্তরা লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে। তাতেই হাছানুজ্জামানের ঘরেই মারা যান। খবর পেয়ে ছেলে আলম ও তিন মেয়ে ঘরে ঢুকে দেখেন বাদশার মাথায় ও ডান হাত রক্তাক্ত অবস্থায় রয়েছে। সন্দেহজনক হওয়ায় লাশ দাফনে তারা বাধা দেয়। পরে তড়িঘড়ি করে জোরপূর্বক লাশ দাফন করে আসামিরা।

Comments are closed.



সম্পাদক ও প্রকাশক:

মোঃ সহিদুল ইসলাম (সহিদ)

প্রধান কার্যালয়ঃ

বার্তা বিভাগঃ এস,এ পরিবহনের পিছনে
উত্তর তেমুহনী বাসষ্ট্যান্ড, সদর, লক্ষ্মীপুর।

সম্পাদকীয়ঃ বিআরডিবি ওয়ার্কশফ ভবন
বাগবাড়ী, সদর, লক্ষ্মীপুর।

ই-মেইলঃ newsdailyrob@gmail.com, মোবাইলঃ 01712256555, 01620759129

Copyright © 2016 All rights reserved www.rnb24.com

Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com