রব নিউজ বাংলাদেশ

নদী পাড়ের মানুষের আকুতি ঘর গুলি ভাংগি গেলে পরিবার নিয়ে কোনটে যামো, কোনটে থাকমো?

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশিত: ১১:৪৩ অপরাহ্ন, ২৯ অগাস্ট ২০২১

ভাই ঘর গুলি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়বার পাড়ে। ঘর গুলি ভাংগি গেলে পরিবার নিয়ে কোনটে যামো, কোনটে থাকমো? কাজ করি যে আয় হয়, সেটা দিয়ে সংসারই চালাতে পারিনা। অন্যটে জমিই বা কিনবো কি করি আর ঘরই বা তুলমো কি করি? অনেকটাই ব্যাথিত কন্ঠে এ কথা গুলো বলেন, রংপুরের পীরগঞ্জ পৌরসভাধীন আখিরা নদী পাড়ে বসবাসরত আলাউদ্দিনের পুত্র রুবেল মিয়া। ব্যাথিত কন্ঠে একই প্রতিক্রিয়া নদীপাড়ে বসবাসরত সকলের।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলা সদরের পৌরসভাধীন আখিরা নদীর ব্রীজ সংলগ্ন দক্ষিন পার্শ্বে নদীর কোল ঘেসে ১১টি পরিবারের বসবাস। যারা অনেকেই ভূমিহীন আবার অনেকের কিঞ্চিত নিজস্ব জমি রয়েছে মাত্র। তারা দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড় সংলগ্ন স্থানে ঘর নির্মান করে অতিকষ্টে পরিবার নিয়ে জীবন- যাপন করে আসছেন। তাদের বসতবাড়ী নদী গর্ভে বিলিনের শংঙ্খা তাদের প্রতিনিয়ত তাড়া করছে। কিন্তু তারা অসহায়। অন্যত্র বসতবাড়ী স্থানান্তরের তাদের নেই কোন সামর্থ। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে প্রবল বর্ষনে নদীটির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উক্ত বসতবাড়ী সংলগ্ন স্থানে নদীর পাড় ভেঙ্গে যাওয়া অব্যাহত রয়েছে । তাই নদীপাড় সংলগ্ন উক্ত স্থানে বসবাসরত শহিদুল ইসলাম, আলাউদ্দিন, রুবেল মিয়া, তাহেদুল ইসলাম, মফিজ উদ্দিন সহ ১১টি পরিবারের বসতবাড়ী হুমকীর মুখে পড়েছে। তাদের ধারনা যে কোন সময় নদী গর্ভে বিলিন হতে পারে তাদের বসতবাড়ী। হয়ে পড়তে পারে আশ্র্য়হীন। তাই পরিবার গুলো এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে প্রশাসনের ত্রাণ বিতর

| প্রকাশিত: ৭:২৭ অপরাহ্ন, ১৯ জুন ২০২২

পানিবন্দী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপূত্র নদ বষ্টিত দুর্গম পােড়ার চর গ্রামে রবিবার ত্রাণ বিতরণ করে প্রশাসনের লাকজন। এসময় দুর্গতদের সাথে কথা বলেন কর্মকর্তারা।

গত এক সপ্তাহ ধর এই চরর মানুষ বাড়ীঘর ছেড়ে নৌকার মধ্য অবস্থান নিয়েছিল। দেড় শতাধিক পরিবার অধ্যুসিত এই চরের বাড়ীঘরের দরজা-জানালা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। অনেক বাড়ীতে ঢােকার মত অবস্থা ছিল না। বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর উঠে আসায় প্রশাসনের লােকজন পােড়ারচরসহ পার্শ্ববর্তী চর ভগবতিপুর ও চর যাত্রাপুর ৩ শতাধিক বানভাসীদর মাঝ ত্রাণ বিতরণ করে।

পানিবন্দি এসব পরিবার ত্রাণ পয় খুশি। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিনহাজুল ইসলাম, সদর ইউএনও রাসেদুল হাসান, যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, সদর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফিজানুর রহমান সাংবাদিক হুমায়ুন কবির সূর্য, ইউসুফ আলমগীর প্রমুখ।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যােগে এসময় ১০ কেজি চাল, এক কেজি করে লবন, ডাল ও চিনি, এক লিটার তেল, মশলা ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিনহাজুল ইসলাম জানান, যে সমস্ত উপজলার ইউনিয়ন সমূহ প্লাবিত হয়েছে, সেই সকল উপজেলা থেকে চাহিদার ভিত্তিতে আমরা সহযাগিতা করছি। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে।

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

| প্রকাশিত: ৯:২৫ অপরাহ্ন, ১৬ জুন ২০২২

কুড়িগ্রামে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে জেলা পর্যায়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আজিজুল ইসলাম। স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের উদ্যোগে, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

এসময় বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. জাফর আলী, পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরা, কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবি’র ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আরিফুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ- মুর্শেদ, পৌর মেয়র মো. কাজিউল ইসলাম, রংপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আলী আসলাম হোসেন প্রমুখ।

কর্মশালায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক, এনজিও কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ স্থানীয় পর্যায়ে মাদক নিমুর্লে বিভিন্ন সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

পরবর্তী খবর

দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম সাময়িক বরখাস্ত

| প্রকাশিত: ২:০৮ পূর্বাহ্ন, ১৬ জুন ২০২২

দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে প্রশাসকি অদক্ষতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুন) রাতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-১ শাখার উপ সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে (যার স্মারক নং-৪৬.০০.০০০০.০৬৩.২৭.০০৩.২২-৭৭৭/১(৮), তারিখ- ১৫ জুন-২০২২ খ্রিস্টাব্ধ) দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মধ্যে রয়েছে প্রশাসকি অদক্ষতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা ছাড়াই টেন্ডার করা, ১৯৩ জন মাষ্টার রোল কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ধার্যকৃত নিবন্ধন ও নবায়ন ফি হতে আদায়কৃত অর্থ বর্ণিত সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বেতন-ভাতা সম্মানী খাতে ব্যয় করা, ৬১টি বিলবোর্ডের ভাড়ার টাকা আদায়ে কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করা, দিনাজপুর বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে পৌরসভার জমি ভাড়ার টাকা দাবী করে ২৪ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় অব্যবস্থাপনা তৈরীর কারণে উন্নয়ন কর্মকান্ড হতে পৌরসভা বঞ্চিত হওয়া, ৩০-০৫-২০১০ তারিখের ৭৯৮ স্মারকে পৌরভবন নির্মাণে জন্য বরাদ্দকৃত ৩৮ লক্ষ টাকা ভবন নির্মাণ না করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বোনাস, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের সম্মানী ভাতা প্রদান ইত্যাদি।

উপরে উল্লেখিত এসব অভিযোগ প্রমানিত হওয়ার কারণে দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জনস্বার্থে জারী করা হলো এবং ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে মর্মে বলা হয়।

অপর এক প্রজ্ঞাপনে দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগ তদন্ত প্রমানিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩২ এর উপ-ধারা () () মোতাবেক অসদাচরণ ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে কেন তাকে উক্ত আইনের ধারা ৩২ এর উপ-ধারা () () অনুযায়ী দিনাজপুর পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে অপসারণ করা হবেনা সে বিষয়ে পত্র প্রাপ্তির ১০  (১০) কার্যদিবসের মধ্যে জবাব প্রদানের জন্য তাকে নির্দেশক্রমে অনরোধ করা হলো।

পরবর্তী খবর

পত্নীতলায় জনসচেতনতায় অগ্নি নির্বাপণ মহড়া

| প্রকাশিত: ৭:২১ অপরাহ্ন, ১৫ জুন ২০২২

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নি কান্ডের ঘটনায় অনেক প্রাণহানী হয়েছে তাই মানুষকে আরো সচেতন করতে অগ্নিকাণ্ড ও যে কোনও দুর্ঘটনা থেকে সাধারণ মানুষের যানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় অগ্নি নির্বাপণ কর্মশালা ও মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুন) সকাল ১০ টায় নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর আয়োজনে নপবিস ২ এর কার্যালয়ে পত্নীতলা ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স সহযোগিতায় এ কর্মশালা ও মহড়ার অনুষ্ঠিত হয় । পত্নীতলা ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স ইনচার্জ রায়হানুল ইসলামের নেতৃত্বে জনসচেতনতায় এ মহড়ায় নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারী ফায়ার সার্ভিসের সদস্য্যরা ও সাধারণ জনগণ উপস্থিতি ছিলেন।

এ সময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মানুষকে দ্রুত অগ্নি নির্বাপণের নানা কৌশল প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিখিয়ে দেন। এবং সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন

পরবর্তী খবর

প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়-উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে তারা হতে পারে সম্পদ ----ডিসি- নওগাঁ।

| প্রকাশিত: ৬:১০ অপরাহ্ন, ২১ এপ্রিল ২০২২

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার পার্শ্ববর্তী আমবাটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩ টায় পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য নওগাঁ জেলা প্রশাসক মো. খালিদ মেহেদী হাসান পিএএ বলেন,‘ প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে তারা হতে পারে সম্পদ।’এ সময় জেলা প্রশাসক আমবাদি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান কনে। অনুষ্ঠানে নওগাঁ জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুর মোহাম্মদ, পত্নীতলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল ইসলাম, পত্নীতলা  উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজাতুল কোবরা মুক্তা, সমাজসেবা অফিসার সুলতান আহমেদ, মহিলা বিষয়ক অফিসার মনোরঞ্জন পাল, একাডেমিক সুপার ভাইজার মোর্শেদুল আলম,ইউপি চেয়ারম্যান ছবেদুল ইসলাম রনি, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, প্রধান শিক্ষক আখি আকতার, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তাসলিমা খাতুন, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি আবু মুছা স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তী খবর

নড়াইলে দুই মাদক কারবারির যাবজ্জীবন

| প্রকাশিত: ৫:৩০ অপরাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২২

নড়াইলে মাদক মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সকালে জেলা ও দায়রা জজ মুন্সী মোঃ মশিয়ার রহমান এ আদেশ দেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-বাসচালক সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের গোবিন্দ পোদ্দারের ছেলে মিলন পোদ্দার (৪৮) এবং হেলপার পাইকমারি গ্রামের কাজী বাবর আলির ছেলে কাজী বদিয়ার রহমান (৪৬)। এছাড়া প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
 
মামলা বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ রাতে নড়াইলের লোহাগড়া থানার এসআই নয়ন পাটোয়ারী নেতৃত্বে কালনাঘাট এলাকায় ঢাকাগামী ঈগল পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে চালক মিলন পোদ্দারের সিটের নিচ থেকে পলিথিনে মোড়ানো ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে আটক করে পুলিশ। এছাড়া পরিবহনের হাওয়া ট্যাংকির ওপর চ্যাসিসের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় দু’টি ব্যাগ থেকে ১২৯ ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় পরিবহনের হেলপার কাজী বদিয়ার রহমান পালিয়ে যায়।  

এ ঘটনায় ঈগল পরিবহনের চালক ও হেলপারকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। 

পরবর্তী খবর

রংপুর জেলা রোভারের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত।

| প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ন, ১৫ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশ স্কাউটসের স্পেশাল ইভেন্টস বিভাগের পরিচালনায় দেশের তৃনমুলের কাব, স্কাউট ও রোভার স্কাউট সদস্যদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত ও তুলে ধরার লক্ষ্যে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের অংশ হিসেবে গতকাল রংপুর মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ স্কাউটস রংপুর জেলা রোভারের স্পেশাল ইভেন্টস বিভাগের আয়োজনে জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রোভার স্কাউট ও গার্লইন রোভার স্কাউট সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ স্কাউটস স্পেশাল ইভেন্টস বিভাগের পরিপত্র অনুযায়ী ৭ ক্যাটাগরিতে তথা  সংগীত, নৃত্য (উচ্চাঙ্গ), কেরাত, যন্ত্র সংগীত, চিত্রাংকন, আবৃত্তি ও  মুকাভিনয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রতিযোগিতায় রংপুর জেলা রোভারের স্পেশাল ইভেন্টস বিভাগের সহকারি কমিশনার আশিকুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মোখলেসুর রহমান। এসময় রংপুর জেলা রোভারের সম্পাদক মহাদেব কুমার গুন, জেলা রোভার স্কাউট লিডার আব্দুর রহমান মিন্টু, জেলা রোভারের কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ মাহবুবার রহমান সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য়, ৩য় স্থান অধিকারী বিজয়ী প্রতিযোগি রোভার স্কাউট ও গার্লইন রোভার স্কাউট সদস্যবৃন্দ আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে, এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে বিজয়ী প্রতিযোগিরা জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে।

পরবর্তী খবর

আনিসা-রুমনের প্রেমকাহিনী সিনেমাকেও হার মানায়!

| প্রকাশিত: ৩:৫২ অপরাহ্ন, ১৫ মার্চ ২০২২
প্রেম মানেনা জাত কিংবা ধর্ম। প্রেমের কবলে পড়ে কেউ ছাড়ে ঘর-বাড়ি কেউবা বাবা-মা। আতকিয়া আনিসার বেলাতেও ঘটেছে এমনটাই। প্রেমিক রুমন হোসেনকে বিয়ে করার পরে তাকে কাছে পাবার জন্য ছেড়েছে ঘর-বাড়ি সহ বাবা-মাকে।

কিন্তু বিধি বাম! প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও বয়স না হবার যন্ত্রনা মনে নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো যেতে হয়েছে সেভ হোমে। নওগাঁ সদর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দেয়া বয়সের সনদ অনুসারে প্রেমিক ও প্রেমিকার বিয়ের বয়স হলেও জন্মনিবন্ধন অনুসারে বয়স হয়নি বলে জানা গেছে। তার একমাত্র চাওয়া স্বামী রুমন ও রুমনের পরিবার। জানা গেছে, আতকিয়া আনিসা।

মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মৈনম স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রী। অন্যদিকে তার স্বামী রুমন হোসেন সাপাহার উপজেলার লালচাঁন্দা গ্রামের বাসিন্দা ও উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মিনারুল ইসলামের ছেলে। তারা সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই-বোন হওয়ায় তাদের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক তৈরী হয়। যা পরবর্তীতে প্রেম-ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয়। নিজেদের ভালোবাসাকে সফল করতে ২০১৯ সালে গাজীপুরে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। এমনকি কাবিননামা পর্যন্ত করেন। পরবর্তী সময়ে যে যার মতো চলাফেরা করতেই থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় ঘর সংসার করার উদ্দ্যেশ্য নিয়ে সকলের অগোচরে ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দু’জনে পালিয়ে যায় ।বিষয়টি জানতে পেরে আনিসার বাবা একেএম মাহবুবুল্লাহ্ বাদী হয়ে মান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে আনিসার স্বামী রুমন গ্রেফতার হয়। সেসময় আনিসা তার বাবা-মার কাছে যেতে অস্বীকার করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে সেভ হোমে পাঠান।

যে মামলার চার্জশীট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করে মান্দা থানা পুলিশ। এঘটনার দেড়মাস পরে আতকিয়া আনিসা সেভ হোম থেকে তার বাবার জিম্মায় চলে আসে। পরে রুমন হোসেন তিনমাস পরে আদালত থেকে জামিন পায়। জামিন পাওয়ার পরে তাদের দু’জনের মধ্যে আবারো কথাবার্তা শুরু হয়। যার সূত্র ধরে আনিসা আবারো রুমনের সাথে সংসার করার উদ্দেশ্য নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তারা দু’জনে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিক গিয়ে আইনগত ভাবে আবারো নতুন ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।এসময় আনিসা তার পূর্বের এক্স-রে রিপোর্ট অনুযায়ী বিজ্ঞ আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে এফিডেফিটের মাধ্যমে বয়সের প্রমাণ পত্র নেয়।

আনিসা তার এফিডেফিডের মাধ্যমে জানান যে, তার বয়স সাল ২০০৩ সাল হলেও তার বাবা একেএম মাহবুবুল্লাহ রুমন ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর জন্য জন্মসাল ২০০৫ সালে তৈরী করে বিজ্ঞ আদালতে প্রদান করে। এদিকে দ্বিতীয়বার মেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তার বাবা আবারো বাদী হয়ে আদালতে অপহরন মামলা করতে যায়। কিন্তু একবার মামলা চলমান থাকায় বিজ্ঞ আদালত সে মামলা গ্রহন করেননা। পরে সেখান থেকে ফিরে এসে মান্দা থানায় পুনরায় রুমনের পরিবারের সকলকে আসামী করে অপহরন মামলা দায়ের করেন। মামলার কথা জানতে পেরে আনিসা তার সকল প্রমাণপত্র নিয়ে আদালতে তার স্বামীর কাছে জিম্মা চেয়ে আত্মসমর্পন করেন।

কিন্তু বিজ্ঞ আদালত কারো জিম্মায় না দিয়ে আবারো দ্বিতীয়বারের মতো সেভ হোমে পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেন। আদালতে যাবার পূর্বে আতকিয়া আনিসা সাংবাদিকদের বলেন, দ্বিতীয়বার আদালত তাকে সেভহোমে নিলে সেভহোম থেকে বেরিয়ে স্বামী রুমন হোসেনের সাথে ঘর সংসার করতে চান। রুমনকে ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয় তার। ঘনিষ্ট আত্মীয় হওয়ায় তাদের প্রেম দৃঢ় হয়। যা পরবর্তীতে স্বা-মী স্ত্রীতে রূপান্তরিত হয়। আতকিয়া আনিসা পিতামাতার একমাত্র মেয়ে হয়েও ভালোবাসার মানুষের জন্য দ্বিতীয় বার আবারো আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে সেভ হোমে গেছে।

আনিসার বাবা এ কে এম মাহবুবুল্লাহ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, তার মেয়ের বিবাহের বয়স হয়নি। তাকে অপহরণ করা হয়েছে। মেয়ের স্বেচ্ছায় প্রেমের টানে চলে যাবার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমার মেয়ে আনিসার বয়স কম তাই এসব বলছে। রুমনের বাবা মিনারুল ইসলাম বলেন,শ্বশুর বাড়ির জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। তিনি সরকারী চাকুরী করেন। তার চাকুরীর ক্ষতি করার জন্য আপন ভায়রা এ কে এম মাহাবুবুল্লাহ বারবার এভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনকে হয়রানী করছেন।

সম্পতির বিরোধের ধরে আমার আপন সম্বন্ধী আঃ খালেক আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি করছে। এতদসংক্রান্ত বিষয়ে আমার স্ত্রী রশিদা বাদী হয়ে আদালতে ১০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছে। নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মাহফুজুর রহমান বলেন, এক্স-রে রিপোর্ট অনুসারে যে বয়স আসছে সেই বয়সটি আমরা উল্লেখ করে থাকি।

এখানে কারো কোনো হাত নেই । আদালত ওই সনদ মানবেন কি না সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয় বলেও তিনি জানান। মান্দা থানার ইস্পক্টর (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ওই মেয়ের মামলা সম্পর্কে তদন্ত করে চার্জশীট প্রদান করা হয়েছে। মেয়ের বাবা আবারও অপহরণ মামলা দায়ের করেছে। কারণ সে দ্বিতীয় বার আবারও প্রাপ্ত বয়স না হতে চলে গিয়েছে । মেয়ের বাবা আবারও অপহরন মামলা করলে আমাদের করার কিছু নাই।

মান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ শাহিনুর রহমান বলেন,একজন ব্যক্তি যখন একাধিক বার হত্যা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক বার হত্যা মামলা দায়ের করতে হয়। ভিকটিমের বাবা থানায় মামলা করতে আসলে সে মামলা নিতে হবে। এদিকে একই ঘটনায় একই থানায় দুইবার কিভাবে মামলা হয় এমনটা প্রশ্ন এলাকার অভিজ্ঞ মহলের।

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ছে রমজানের আগেই

| প্রকাশিত: ৯:১২ অপরাহ্ন, ১৪ মার্চ ২০২২
কুড়িগ্রামে রমজান মাস আসার আগেই খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে।কুড়িগ্রামে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলেও পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের দাম এক দিনে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।ক্রমাগত বাড়ছে মাছ, মাংসসহ শাক-সবজির দাম।

কুড়িগ্রামে গতকাল রোববার জেলা শহরের জিয়া বাজারস্থ পেঁয়াজ-মরিচের পাইকারি বাজারে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে এলসি পেঁয়াজের পাইকারি দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা কমে প্রতি কেজি ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকা। দেশি পেঁয়াজের পাইকারি দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকায়। ক্রেতারা বলেছেন,পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী হলেও কাঁচা মরিচের দাম লাগামহীন। পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের পাইকারি বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন,শনিবার কাঁচা মরিচের পাইকারি মূল্য ছিল প্রতি কেজি ৬০ টাকা। কিন্তু গতকাল তা প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। তবে মরিচের বাজার ওঠা নামা করছে। কুড়িগ্রাম শহরের দাদা মোড়ে রিকশা নিয়ে আসা আফসার আলী জানান,সারা দিনে তাঁর আয় ২০০ টাকা। এই টাকা দিয়েই তাঁকে পাঁচজনের সংসারের জন্য চালসহ অন্যান্য দ্রব্য কিনতে হয়। কৃত্রিম সংকট নিরসন ও রমজানকে সামনে রেখে বাজার তদারকি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

‘রমজান মাসে দ্রব্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে।’

পরবর্তী খবর

রংপুরে ৫ম কোর্স ফর রোভারমেটের উদ্বোধন

| প্রকাশিত: ১১:০৩ অপরাহ্ন, ১৩ মার্চ ২০২২

রংপুরে ৫দিন ব্যাপী ৫ম কোর্স ফর রোভারমেটের উদ্বোধন হয়েছে। রোববার (১৩ মার্চ ) বিকেলে রংপুর মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশে স্কাউটস রংপুর জেলা রোভারের আয়োজনে স্বাস্থ্যবিধী মেনে ১৩ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ৫দিন ব্যাপী ৫ম কোর্স ফর রোভারমেট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

রংপুর জেলা রোভারের কমিশনার প্রফেসর ড. আরেফিনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা রোভারের সহকারি কমিশনার ও রংপুর মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মোখলেসুর রহমান। এসময় রংপুর জেলা স্কাউটের সম্পাদক আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় স্কাউট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

স্কাউটিং কার্যক্রম সম্প্রসারণে ও রোভার স্কাউট সদস্যদের নেতৃত্ব প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলেতে বাংলাদেশ স্কাউট রংপুর জেলা রোভারের ব্যাবস্থাপনায় রংপুর জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫০জন রোভার স্কাউট ও গার্লইন রোভার স্কাউট প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে।

কোর্সের কোর্স লিডার হিসেবে বগুড়া জেলা রোভারের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রেজা-এএলটি এবং প্রশিক্ষক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন রংপুর জেলা রোভারের কমিশনার প্রফেসর ড. আরেফিনা বেগম-এলটি। রংপুর জেলা রোভারের যুগ্ম সম্পাদক মহাদেব কুমার গুন, দিনাজপুর জেলা রোভারের সম্পাদক জহুরুল হোক, কামার পুকুর ডিগ্রী কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার স্কাউট লিডার সারবার হোসেন, রংপুর জেলা রোভারের জেলা রোভার স্কাউট লিডার আব্দুর রহমান, গাইবান্ধা জেলা রোভারের জেলা রোভার স্কাউট লিডার তামজিদুর রহমান, রংপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের রোভার স্কাউট লিডার মাসুদের রহমান, রংপুর জেলা রোভারের কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ মাহবুবর রহমান, রংপুর  জেলা রোভারের সহকারি কমিশনার (স্পেশাল) আশিকুর রহমান। এছাড়াও কোর্সে সাপোর্ট স্টাফ হিসেবে ৬জন সিনিয়র রোভার ও গানর্লইন রোভার স্কাউট সদস্য দ্বায়িত্ব পালন করছে।