৯ মাস আগে সুন্দরবন থেকে চলে আসা হরিণকে লোকালয় থেকে উদ্ধার
বাগেরহাটের মোংলার লোকালয় থেকে একটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ। আজ মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) সকাল উপজেলার মোংলা ইপিজেড এলাকা থেকে হরিণটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে হরিণটিকে বন বিভাগের কর্মকর্তা করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র নিয়ে যান।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ৯ টার দিকে মোংলা ইপজেড এলাকায় চিত্রা হরিণটি দেখতে পান কয়েকজন স্থানিয়। এ সময় তাঁরা হরিণটিকে তাড়া করে আটক করেন। সকাল ৯:৩০ দিকে হরিণটিকে বনবিভাগ উদ্ধার করে করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
করমজল বন্য প্রানী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির বলেন, লোকালয় থেকে উদ্ধার হওয়া হরিণটি দীর্ঘ ৮/৯ মাস আগে সুন্দরবন থেকে লোকালয় চলে আসে। অনেক চেষ্টা করে তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। আজ স্থানিয়দের সহায়তায় হরিণটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। হরিণটিকে ট্রলারে করে করমজল বন্য প্রানী প্রজনন কেন্দ্র নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হরিণটিকে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হবে।
দেশে ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট উদ্বোধন করলো জাট হোল্ডিংস
নিজস্ব প্রতিবেদক:
শ্রীলঙ্কার শীর্ষস্থানীয় কাঠের কোটিং কোম্পানি জাট হোল্ডিংস পিএলসি
সম্প্রতি দেশে ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট উদ্বোধন করেছে। সাভারের
বিরুলিয়ায় একটি বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে তাদের প্রথম
ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট, গুদামঘর এবং পরীক্ষাগার উন্মোচন করেছে। বাজারে
ব্যাকওয়ার্ড ভার্টিকাল ইন্টিগ্রেসন পদ্ধতির সর্বোন্নত মানের কোটিং পণ্য
সরবরাহ করতে এই প্ল্যান্টটি তৈরি করা হয়েছে।
নতুন এই প্রোডাকশন প্ল্যান্টটি পরিচালনা করবে এশিয়া কোটিংস (প্রাইভেট)
লিমিটেড। যা জাট হোল্ডিংস পিএলসি-এর পূর্ণ মালিকানাধীন একটি সহযোগী
প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বিখ্যাত জাট কোটিংস সল্যুশনস্ -এর অধীনে কাঠের
কোটিং পণ্য তৈরি করে। জলবায়ু-নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এই প্ল্যান্ট থেকে
বিশ্বমানের পিইউ, ইউভি, এবং ওয়াটার-বেসড কোটিং-এর মতো পণ্য তৈরি করা যাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাট হোল্ডিংস গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক
নিশাল ফার্দিনান্দো, ডিরেক্টর-সেলস অ্যান্ড টেকনিক্যাল ওয়াসান্থা
গুনারত্নে, বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড রাঙ্গা আবেয়াকুন এবং জেনারেল
ম্যানেজার-মার্কেটিং দিলশান রডরিগো সহ আরো অনেক সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের
সদস্যরা।
নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি চালু করার সময়, সিইও নিশাল ফার্ডিনান্দো
বলেন, "ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বমানের কাঠের কোটিং-য়ের পণ্য তৈরির
জন্য একত্রিত হয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত
আনন্দঘন একটি মুহূর্ত। শ্রীলঙ্কার বাইরে এই প্রথম আমরা অন্য কোনো দেশে
সম্পূর্ণ মালিকানাধীন এবং স্বাধীনভাবে ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি নিয়ে
পরিচালনা শুরু করলাম। দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম ব্র্যান্ড হিসেবে জাট
হোল্ডিংস পিএলসি-কে প্রতিষ্ঠিত করার আনুষ্ঠানিক শুরু এখানেই।”
বাংলাদেশ কান্ট্রি হেড রাঙ্গা আবায়াকুন বলেন, “ঢাকাতে এই ম্যানুফ্যাকচারিং
প্ল্যান্ট চালু করার সঙ্গে সঙ্গে, এশিয়া কোটিংস বাংলাদেশে ১০০জনেরও বেশি
মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। দেশের কাঠের কোটিং বাজারকে এগিয়ে
নেওয়ার লক্ষ্যে এটি একটি উল্লেখযোগ্য অবদান।”
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে বাংলাদেশে পদার্পণ করে জাট। এরপর ২০ বছরেরও বেশি সময়
ধরে ব্যবসার প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে নিজেদের শীর্ষস্থান ধরে
রেখেছে তারা।
কুড়িগ্রামে প্রশাসনের ত্রাণ বিতর
পানিবন্দী কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপূত্র নদ বষ্টিত দুর্গম পােড়ার চর গ্রামে রবিবার ত্রাণ বিতরণ করে প্রশাসনের লাকজন। এসময় দুর্গতদের সাথে কথা বলেন কর্মকর্তারা।
গত এক সপ্তাহ ধর এই চরর মানুষ বাড়ীঘর ছেড়ে নৌকার মধ্য অবস্থান নিয়েছিল। দেড় শতাধিক পরিবার অধ্যুসিত এই চরের বাড়ীঘরের দরজা-জানালা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। অনেক বাড়ীতে ঢােকার মত অবস্থা ছিল না। বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর উঠে আসায় প্রশাসনের লােকজন পােড়ারচরসহ পার্শ্ববর্তী চর ভগবতিপুর ও চর যাত্রাপুর ৩ শতাধিক বানভাসীদর মাঝ ত্রাণ বিতরণ করে।
পানিবন্দি এসব পরিবার ত্রাণ পয় খুশি। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিনহাজুল ইসলাম, সদর ইউএনও রাসেদুল হাসান, যাত্রাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, সদর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফিজানুর রহমান সাংবাদিক হুমায়ুন কবির সূর্য, ইউসুফ আলমগীর প্রমুখ।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যােগে এসময় ১০ কেজি চাল, এক কেজি করে লবন, ডাল ও চিনি, এক লিটার তেল, মশলা ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিনহাজুল ইসলাম জানান, যে সমস্ত উপজলার ইউনিয়ন সমূহ প্লাবিত হয়েছে, সেই সকল উপজেলা থেকে চাহিদার ভিত্তিতে আমরা সহযাগিতা করছি। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে।
দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম সাময়িক বরখাস্ত
দিনাজপুর পৌরসভার
মেয়র
সৈয়দ
জাহাঙ্গীর
আলমকে
প্রশাসকি
অদক্ষতা,
ক্ষমতার
অপব্যবহার,
অনিয়মসহ
বিভিন্ন
অভিযোগে
সাময়িক
বরখাস্ত
করা
হয়েছে।
বুধবার (১৫
জুন)
রাতে
স্থানীয়
সরকার,
পল্লী
উন্নয়ন
ও
সমবায়
মন্ত্রনালয়ের
স্থানীয়
সরকার
বিভাগের
পৌর-১
শাখার
উপ
সচিব
মোহাম্মদ
ফারুক
হোসেন
স্বাক্ষরিত
এক
প্রজ্ঞাপনে
(যার
স্মারক
নং-৪৬.০০.০০০০.০৬৩.২৭.০০৩.২২-৭৭৭/১(৮),
তারিখ-
১৫
জুন-২০২২
খ্রিস্টাব্ধ)
দিনাজপুর
পৌরসভার
মেয়র
সৈয়দ
জাহাঙ্গীর
আলমকে
সাময়িক
বরখাস্ত
করা
হয়।
মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মধ্যে রয়েছে প্রশাসকি অদক্ষতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা ছাড়াই টেন্ডার করা, ১৯৩ জন মাষ্টার রোল কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ধার্যকৃত নিবন্ধন ও নবায়ন ফি হতে আদায়কৃত অর্থ বর্ণিত সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বেতন-ভাতা সম্মানী খাতে ব্যয় করা, ৬১টি বিলবোর্ডের ভাড়ার টাকা আদায়ে কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করা, দিনাজপুর বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে পৌরসভার জমি ভাড়ার টাকা দাবী করে ২৪ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় অব্যবস্থাপনা তৈরীর কারণে উন্নয়ন কর্মকান্ড হতে পৌরসভা বঞ্চিত হওয়া, ৩০-০৫-২০১০ তারিখের ৭৯৮ স্মারকে পৌরভবন নির্মাণে জন্য বরাদ্দকৃত ৩৮ লক্ষ টাকা ভবন নির্মাণ না করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বোনাস, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের সম্মানী ভাতা প্রদান ইত্যাদি।
উপরে উল্লেখিত
এসব
অভিযোগ
প্রমানিত
হওয়ার
কারণে
দিনাজপুর
পৌরসভার
মেয়র
সৈয়দ
জাহাঙ্গীর
আলমকে
সাময়িক
বরখাস্ত
করা
হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে
এ
আদেশ
জনস্বার্থে
জারী
করা
হলো
এবং
ইহা
অবিলম্বে
কার্যকর
হবে
মর্মে
বলা
হয়।
অপর এক প্রজ্ঞাপনে দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগ তদন্ত প্রমানিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (১) (ঘ) মোতাবেক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে কেন তাকে উক্ত আইনের ধারা ৩২ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) অনুযায়ী দিনাজপুর পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে অপসারণ করা হবেনা সে বিষয়ে পত্র প্রাপ্তির ১০ (১০) কার্যদিবসের মধ্যে জবাব প্রদানের জন্য তাকে নির্দেশক্রমে অনরোধ করা হলো।
পত্নীতলায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
সারা দেশের ন্যায় নওগাঁর পত্নীতলায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সপ্তাহ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গাফ্ফার । এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজাতুল কোবরা মুক্তা, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ রাহাদ সহ অন্যান্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সহকারীগণ প্রমূখ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ১৫-১৯ শে জুন পর্যন্ত,(ছুটির দিন ব্যতীত) চলমান থাকবে । কাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের শিশুদের কে নীল রঙের১ (এক)টি ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদেরকে লাল রঙের ১(এক) টি ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ।
পত্নীতলায় জনসচেতনতায় অগ্নি নির্বাপণ মহড়া
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নি কান্ডের ঘটনায় অনেক প্রাণহানী হয়েছে তাই মানুষকে আরো সচেতন করতে অগ্নিকাণ্ড ও যে কোনও দুর্ঘটনা থেকে সাধারণ মানুষের যানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় অগ্নি নির্বাপণ কর্মশালা ও মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুন) সকাল ১০ টায় নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর আয়োজনে নপবিস ২ এর কার্যালয়ে পত্নীতলা ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স সহযোগিতায় এ কর্মশালা ও মহড়ার অনুষ্ঠিত হয় । পত্নীতলা ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স ইনচার্জ রায়হানুল ইসলামের নেতৃত্বে জনসচেতনতায় এ মহড়ায় নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারী ফায়ার সার্ভিসের সদস্য্যরা ও সাধারণ জনগণ উপস্থিতি ছিলেন।
এ সময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মানুষকে দ্রুত অগ্নি নির্বাপণের নানা কৌশল প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিখিয়ে দেন। এবং সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন
১২ নয়, ১৫ থেকে ১৯ জুন খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল
নড়াইলের তিনটি উপজেলায় ৯৮ হাজার ১৮ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রথমে ১২ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা পরিবর্তন হয়ে ১৫ জুন থেকে করা হয়েছে। চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডাক্তার নাছিমা আকতার।
এ উপলক্ষে ৯ জুন দুপুরে সিভিল সার্জন অফিসের সভাকক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক এবং জেলা অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় সিভিল সার্জন ডাক্তার নাছিমা আকতার বলেন, ৬ থেকে ১১মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৯৯১টি কেন্দ্রে দুই প্রকারের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১ হাজার ৯৮২জন স্বেচ্ছাসেবক, ২৫০জন কর্মী এবং ১২০জন সুপারভাইজার প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরো বলেন, ভিটামিন এ শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধই করে না বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা দুর করে শিশু মৃত্যুর হার কমায়। শিশু মৃত্যুরোধে জন্মের পর নবজাতককে কেবল মায়ের শালদুধ পান করাতে হবে। এছাড়া শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়াতে হবে।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন-জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় পিপিএম (বার), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হুমায়ুন কবীর, জেলা তথ্য অফিসার ইব্রাহিম আল মামুন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সুব্রত হালদার, ডাক্তার সুভাশীষ বিশ্বাস, নিউট্রেশনের জেলা সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমানসহ অনেকে।
সাপাহারে লাগাতার লোডশেডিং-এ জনজীবন অতীষ্ট
রমযান মাস। সিয়াম সাধনার মাস। এ বছরে এপ্রিল মাস থেকে রোজা শুরু হবার ফলে অনেকটা দাবদাহের মধ্যে সাওম পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। এরই মধ্যে নওগাঁর সাপাহারে শুরু হয়েছে বিদ্যুতের যাওয়া -আসার ভেলকিবাজি। বেশিরভাগ সময় সেহরী,ইফতার ও তারাবীহ নামাজের সময় লোডশেডিং হচ্ছে। যাতে করে চরম দাবদাহে গরম সহ্য করে মহান রবের উপাসনা করতে হচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের। যার ফলো ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মুসল্লীরা।
রমযান মাসের শুরু থেকে এই উপজেলায় ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং-এ অতীষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। লাগাতার লোডশেডিং এর ফলে চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-কার্যক্রম। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ অফিস কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং রাখার কারনে ব্যহত হচ্ছে স্থানীয় কলে-কারখানা সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজ।
মুসল্লী আব্দুল হামিদ বলেন, সারাদিন রোজা রাখার পর তারাবীহের নামাজ পড়তে গিয়ে লোডশেডিং হচ্ছে। যাতে করে একদিকে যেমন ভ্যাপসা গরম অপর দিকে ইমামের সুরা-ক্বেরাত শুনতেও সমস্যা হচ্ছে। অসহনীয় গরমের মধ্যে নামাজ আদায় করতে অনেকটা কষ্টকর বটে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী এ প্রতিবেদককে জানান, লাগাতার লোডশেডিং এর ফলে আমার কারখানা বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকছে। রোজার দিনে এমনিতেই কাজ কম হয়।তার উপর লাগাতার লোডশেডিং-এ আমাদের চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, আমরা সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের পরে যখন প্রাইভেট পড়তে যাই,তখনই কারেন্ট টান দেয়। যাতে করে লেখা-পড়ায় চরম বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে জানতে চেয়ে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নোটিশ বিহীন এধরণের লোডশেডিং-এ অতীষ্ট এলাকার সাধারণ জনগন,মুসল্লী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। অনতিবিলম্বে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে এমনটাই আশাবাদী এলাকার সাধারণ জনগন।
মানিকছড়িতে যোগদানকৃত নতুন ইউএনও'র পরিচিতি সভা
খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় গত ১১মার্চ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রক্তিম চৌধুরী যোগদান করেছেন। সোমবার(১৪ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার যোগদানকৃত পরিচিতি সভার আয়োজন করা হয়।
এসময় যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আমি সরকারী দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে এসেছি, সকলে কাধে কাদ মিলিয়ে কাজ করলে দেশ এগিয়ে যাবে। আপনাদের সকলের সহযোগীতা কামনা করছি। উপজেলা ব্যবস্থাপক টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের মোঃ ফরিদুল আলমের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন মানিকছড়ি উপজেলা ভুমি কমিশাার রুম্পা ঘোষ।
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, মানিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ম্র্যাগ্য মারমা, আব্দুর রাজ্জাক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মানিকছড়ির উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ মাঈন উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বাবুল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডলিরাণী চৌধুরী, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ খারুল আমান বাশার, মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম, গচ্ছাবিল, তিনটহরী আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সফিউল আলম।
আরো উপস্থিত ছিলেন মানিকছড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান ফারুক, বাটনাতলী ইউনিয়ন আব্দুর রহিম, তিনটহরী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, যোগ্যছোলা ইউনিয়ন ক্যাজরী মহাজন, মানিকছড়ি উপজেলার শিক্ষক প্রতিনিধি আতিউল ইসলাম, শিক্ষক বিপ্লব চক্রবর্তী, শিক্ষক মংসাপ্রু চৌধুরী, শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ আরো ৪টি ইউনিয়ন মেম্বার, সচিব প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
কুড়িগ্রামে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ছে রমজানের আগেই
কুড়িগ্রামে গতকাল রোববার জেলা শহরের জিয়া বাজারস্থ পেঁয়াজ-মরিচের পাইকারি বাজারে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে এলসি পেঁয়াজের পাইকারি দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা কমে প্রতি কেজি ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকা। দেশি পেঁয়াজের পাইকারি দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকায়। ক্রেতারা বলেছেন,পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী হলেও কাঁচা মরিচের দাম লাগামহীন। পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের পাইকারি বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন,শনিবার কাঁচা মরিচের পাইকারি মূল্য ছিল প্রতি কেজি ৬০ টাকা। কিন্তু গতকাল তা প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। তবে মরিচের বাজার ওঠা নামা করছে। কুড়িগ্রাম শহরের দাদা মোড়ে রিকশা নিয়ে আসা আফসার আলী জানান,সারা দিনে তাঁর আয় ২০০ টাকা। এই টাকা দিয়েই তাঁকে পাঁচজনের সংসারের জন্য চালসহ অন্যান্য দ্রব্য কিনতে হয়। কৃত্রিম সংকট নিরসন ও রমজানকে সামনে রেখে বাজার তদারকি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
‘রমজান মাসে দ্রব্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে।’
খাগড়াছড়িতে যুবদলের বিক্ষোভ সমাবেশ
খাগড়াছড়িতে যুবদলের বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে আগত নেতা-কর্মীদের পথে পথে বাধা, মারধর ও ২৫ যুবদলের কর্মীদের আহতের ঘটনা উপেক্ষা করেই তারা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া পথে পথে নেতাকর্মীদের মারধর হামলা ও পুলিশের বাঁধার ঘটনাকে কাপরুষোতি আখ্যায়িত করে নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সরকার পতনের আচঁ করতে পেরে রাষ্ট্র যন্ত্রকে ব্যবহার করে বিএনপির সভা-সমাবেশে বাঁধা দিচ্ছে।
কিন্তু এতে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। ওয়াদুদ ভূইয়া সমাবেশে আসার পথে বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী যুবলীগের হামলায় যুবদলের ২৫নেতাকর্মী আহত হয়েছে দাবী করে বলেন, সময় ফুরিয়ে এসেছে। হামলা মামলা করে বিএনপিকে দমানো যাবেনা। মারধর অনেক করেছেন এবার রাজপথে প্রতিরোধ হবে।
রবিবার(১৩ মার্চ) দুপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় মূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা যুবদলের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বিএনপির নেতারা অভিযোগ করে, যুবদলের নেতাকর্মীরা সমাবেশে আসার পথে আলুটিলা ও আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের পাশে হামলার শিকার হন। খাগড়াছড়ি জেলা যুবদলের সভাপতি মাহবুব আল সবুজের সভাপতিত্বে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বারুদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা সহ- সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমা, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা রিংকু, সাংগঠনিক আব্দুর রাজার। খাগড়াছড়ি জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা, কংচ্রাী মারমা, যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু, মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালেব, দপ্তর সম্পাদক মারিয়াম আক্তার মনি, জেলা মহিলা দলের সভাপতি কুহেলী দেওয়ান, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান সাগর ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদুল হোসেন সুমন।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রশীদ জানান, যুবদল ও যুবলীগের পাল্টা-পাল্টি কর্মসুচিকে ঘিরে শহরে উত্তেজনা ছিল। পুলিশি সতর্কবস্থায় ও হস্তক্ষেপে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।